Saturday, 24 October 2026
ব্রেকিং নিউজ
স্বামীকে হত্যার পর ড্রামে সিমেন্টের ঢালাই, স্ত্রী ও প্রেমিকের মৃত্যুদণ্ড ◆ পরকীয়া সম্পর্কের জেরে স্বামীকে হত্যা, চ্যাটে ফাঁস হলো রহস্য ◆ আত্মহত্যার প্ররোচনা মামলা: এমপি গাজী নজরুলের জামিন আবেদন নাকচ ◆ কালিয়াকৈরে তরুণীর মৃত্যু, ধর্ষণ মামলায় প্রেমিক গ্রেপ্তার ◆ ডুমুরিয়ায় যাত্রীবাহী বাস তল্লাশি চালিয়ে ৬০০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ পেশাদার মাদক কারবারি গ্রেফতার ◆ নাটোরে ১০৬ পিস ইয়াবাসহ পুলিশ কনস্টেবল গ্রেপ্তার। ◆ সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত ◆ চাঁদপুরে ভিন্নধর্মী উদ্যোগ: মাদক ছেড়ে তাবলিগে গেলেন দুই কারবারি ◆ কালিগঞ্জে স্ত্রীর বিরুদ্ধে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে চলে যাওয়ার অভিযোগ ◆ ছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগে জামায়াত নেতা গ্রেপ্তার ◆
আন্তর্জাতিক

স্বামীকে হত্যার পর ড্রামে সিমেন্টের ঢালাই, স্ত্রী ও প্রেমিকের মৃত্যুদণ্ড 🖨️ প্রিন্ট নিউজ

📅 15 October 2026 • 🕒 09:57 AM • 👁 49 বার
newsadminbd
newsadminbd Admin

বিস্তারিত

🖨 প্রিন্ট নিউজ

নিউজ সাতক্ষীরা বিডি | আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ভারতের উত্তর প্রদেশের মিরাটে মার্চেন্ট নেভির কর্মকর্তা সৌরভ রাজপুতকে হত্যার মামলায় তার স্ত্রী মুসকান রাস্তোগি ও স্ত্রীর প্রেমিক সাহিল শুক্লাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।বুধবার (১৪ অক্টোবর) ১২৬টি শুনানি ও ২২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে জেলা জজ অরবিন্দ কুমার মিশ্র এ রায় ঘোষণা করেন। এর দুই সপ্তাহ আগে আদালত দুজনকে দোষী সাব্যস্ত করেছিলেন। এনডিটিভির প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৩ মার্চ মিরাটের ইন্দ্রা নগরে নিজেদের বাড়িতে সৌরভকে হত্যার পরিকল্পনা করেন মুসকান ও সাহিল। প্রথমে খাবারের সঙ্গে ওষুধ মিশিয়ে স্বামীকে অচেতন করেন মুসকান। পরে সাহিল বাড়িতে এলে দুজন মিলে সৌরভকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেন।হত্যার পর বাথরুমে সৌরভের মরদেহ টুকরো করা হয়। এরপর দেহের খণ্ডগুলো একটি বড় নীল প্লাস্টিকের ড্রামে রেখে তাতে বালি, পানি ও সিমেন্টের মিশ্রণ ঢেলে দেওয়া হয়। মরদেহের অস্তিত্ব আড়াল করতেই ড্রামটি সিমেন্ট দিয়ে বন্ধ করা হয়েছিল। মামলার গুরুত্বপূর্ণ আলামত হিসেবে ড্রামটি আদালতে উপস্থাপন করা হয়।ঘটনার পর মুসকান ও সাহিল হিমাচল প্রদেশে চলে যান। এদিকে সৌরভ জীবিত আছেন এবং ব্যবসায়িক কাজে বাইরে রয়েছেন—এমন ধারণা দিতে স্বামীর ফোন ব্যবহার করে স্বজনদের বার্তা পাঠাতে থাকেন মুসকান।কিন্তু পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হলে গত ১৭ মার্চ তারা স্থানীয় প্রশাসনকে সঙ্গে নিয়ে সৌরভের বাড়িতে যান। এ সময় সৌরভ ও মুসকানের ছয় বছর বয়সী মেয়ে প্রতিবেশীদের জানায়, ‘বাবা ড্রামের ভেতর।’ পরে পুলিশ ড্রামটি কেটে সেখান থেকে মরদেহের খণ্ডিত অংশ উদ্ধার করে। এর দুই দিন পর মুসকান ও সাহিলকে গ্রেপ্তার করা হয়।বিচার চলাকালে রাষ্ট্রপক্ষ আদালতে পারিপার্শ্বিক, প্রযুক্তিগত ও ভৌত বিভিন্ন প্রমাণ উপস্থাপন করে। স্থানীয় দোকানিরা সাক্ষ্য দেন, অভিযুক্তরা তাদের কাছ থেকে নীল ড্রাম, সিমেন্ট, বালি ও মাংস কাটার ছুরি কিনেছিলেন। পাশাপাশি মোবাইল ফোনের কল রেকর্ড এবং টাওয়ারের অবস্থানসংক্রান্ত তথ্যের মাধ্যমে অপরাধ সংঘটিত হওয়ার সময় ঘটনাস্থলে সাহিলের উপস্থিতির বিষয়টিও তুলে ধরা হয়।রায় ঘোষণার আগে মুসকানের বাবা-মা আদালতকে জানান, সৌরভ ভালো মানুষ ছিলেন। অভিযুক্তদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলে তাদের আপত্তি নেই বলেও জানান তারা। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গ্রেপ্তারের পর থেকে মুসকানের পরিবারের সদস্যরা কারাগারে তার সঙ্গে দেখা করতে যাননি।সূত্র: এনডিটিভিনিউজ সাতক্ষীরা বিডি

f Facebook WhatsApp
↑