নিজস্ব প্রতিবেদক
সংবাদ প্রকাশের আড়ালে অর্থ দাবি এবং সেই অর্থ দিতে অস্বীকৃতি জানালে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে নিয়ে মনগড়া ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশের অভিযোগ উঠেছে আল আমিন সরদারের – দৈনিক সোনার বাংলাদেশ-এর কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে।
অভিযোগ রয়েছে, পত্রিকাটির মালিক আল আমিন সরদার , পরিচিত ও প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তির সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করে বিভিন্ন অজুহাতে অর্থ দাবি করেন। কেউ সেই অর্থ দিতে রাজি না হলে পরবর্তীতে তাকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে তার বিরুদ্ধে নানা ধরনের অভিযোগ তুলে সংবাদ প্রকাশ করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
সর্বশেষ পাটকলেঘাটা রীনা টেলিকমের মালিক, রূপায়ণ হাজরা’কে নিয়ে প্রকাশিত সংবাদটিকেও একই ধরনের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ভিত্তিহীন প্রচারণা । প্রকাশিত প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে, সেসব অভিযোগের পক্ষে নির্ভরযোগ্য কোনো তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি ।
সাংবাদিকতার নামে কারও কাছ থেকে অর্থ দাবি করা এবং অর্থ না পেলে তার বিরুদ্ধে নেতিবাচক সংবাদ প্রকাশের অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর। সংবাদমাধ্যমের দায়িত্ব হলো তথ্য যাচাই করে সত্য, নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করা। ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল কিংবা কারও ওপর চাপ সৃষ্টির হাতিয়ার হিসেবে সংবাদমাধ্যমকে ব্যবহার করা কোনোভাবেই দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার পরিচয় হতে পারে না।
কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তার পক্ষে যথাযথ তথ্য-প্রমাণ থাকা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য প্রকাশ করা সাংবাদিকতার মৌলিক দায়িত্ব। অর্থ না দেওয়ার কারণে কাউকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করতে সংবাদকে ব্যবহার করা হলে, সেটি সাংবাদিকতা নয়—বরং সংবাদমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতার অপব্যবহার।
অর্থের বিনিময়ে সংবাদ নয়, সত্য ও বস্তুনিষ্ঠতাই হওয়া উচিত সাংবাদিকতার মূল ভিত্তি। কারও কাছ থেকে অর্থ আদায় করতে সংবাদ প্রকাশের ভয় দেখানো কিংবা অর্থ না পেলে তাকে নিয়ে মনগড়া সংবাদ প্রচার করা হয়ে থাকলে, এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া প্রতিটি দায়িত্বশীল গণমাধ্যমকর্মীর নৈতিক দায়িত্ব।